পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য রয়েছে অত্যন্ত সুখবর। যারা যারা যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা পাচ্ছিলেন, তারা সকলে ১ জুন থেকে ৩০০০ টাকা মাসিক ভাতা পাবেন। এর জন্য আপনাদের কোনো নতুন করে আবেদন করতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্য সরকার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন বিগত প্রচলিত কোনো প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বরং আগের তুলনায় আরও বেশি সাহায্য প্রদান করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের "যুবসাথী" প্রকল্পে রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের মাসে ১৫০০ টাকা দেওয়া হতো। তার এই প্রকল্পের পরিবর্তিত রূপে "যুবশক্তি" প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চলেছে। এই প্রকল্পে বেকার যুবক যুবতীদের কথা মতো আগের তুলনায় ডবল অর্থাৎ ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ভোটের আগে BJP দলের পক্ষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন যে তারা জিতলে যুবসাথী প্রকল্পের তুলনায় ডবল টাকা দেওয়া হবে। জনতাকে দেওয়া সেই সকল প্রতিশ্রুতি একটি একটি করে রাখছেন।
এখনও পর্যন্ত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পোর্টাল খোলেনি এবং নতুন করে আবেদন জমা করা হয়নি। কেবলমাত্র যারা যারা আগে থেকে ভাতা পাচ্ছিলেন তারা সকলে ৩ হাজার টাকা পাবে। খবর পাওয়া গেছে এই ১ জুন থেকে টাকা দেওয়া শুরু হবে। এছাড়াও জুন মাসে থেকেই পোর্টাল খুলবে এবং নতুন আবেদন শুরু হবে। কিন্তু কিছু কিছু প্রার্থীর নাম বাদ দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।
কাদের কাদের নাম বাদ দেওয়া হবে?
১. যে সকল প্রার্থী কোনো স্থায়ী সরকারি চাকরি পেয়েছে তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে।
২. ২০২৬ এর এসআইআর অনুযায়ী যারা ভারতীয় নয় কেবল এখানে বসবাস করেন তারা পাবেন না।
৩. যে সকল প্রার্থী মৃত তাদের নাম বাদ হবে।
৪. যারা পেনশনের সুবিধা পাচ্ছেন তারা বাদ হবে।
৫. যাদের ব্যাংক একাউন্টে DBT লিংক নেই ও আধার মোবাইল নম্বর লিংক নেই তাদের টাকা ঢুকবে না।
৬. যারা অন্য কোনো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন তারা বাদ হবে।
কিভাবে আবেদন করতে হবে?
এখনও পর্যন্ত আর নতুন আবেদন জমা করা হয়নি। কিন্তু সোনা যাচ্ছে জুন মাস থেকেই আবার নতুন আবেদন জমা নেওয়া হবে। আবেদনের জন্য "যুবশক্তি" প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে আধার নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে, ক্যাপচা পূরণ করে লগইন করতে হবে। তারপরে আবেদন পত্রটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপরে ফর্মে উল্লিখিত সমস্ত তথ্যাবলী নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। তারপরে ওয়েবসাইটে উল্লিখিত সমস্ত ডকুমেন্ট জেরক্স করে আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্রে একটি পাসপোর্ট সাইজের কালার ফটো যুক্ত করতে হবে। এরপরে আবেদন পত্রটি সঠিক জায়গায় জমা করতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
- আধার কার্ড
- মাধ্যমিকের রেজাল্ট
- মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড
- বয়সের প্রমাণ পত্র
- স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ পত্র
- ব্যাংকের পাসবই
- ভোটার কার্ড
- পাসপোর্ট সাইজের ফটো
আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন।
